ওয়াইফাইয়ের
গতি কমে যাওয়ার পেছনে
বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। তবে
কিছু পদ্ধতি ব্যবহার করে
বাড়িয়ে নিতে পারেন আপনার
বাসা বা অফিসের ওয়াইফাইয়ের
গতি।
রাউটার
রাখার স্থান : ওয়াইফাই ব্যবহার করার জন্য উন্নতমানের
রাউটার ব্যবহার করার বিকল্প নেই।
তবে রাউটারের সাথে রাউটার রাখার
স্থান হতে হবে উপযুক্ত।
যতো উঁচুতে রাখা যায়
তত রেডিও ওয়েভ পরিধি
চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে এবং
দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা পাওয়া যায়।
তরঙ্গ
যেন বাধাগ্রস্ত না হয়: রাউটার
যেখানে রাখা হয় সেখানের
সামনে যদি কোনো ইটের
স্তূপ থাকে তাহলে ওয়াইফাই
তরঙ্গ বাধাগ্রস্ত হয়। বাড়ির বেজমেন্টে
কখনো রাউটার রাখা যাবে
না। এতে ওয়াইফাইয়ের গতি
কমে যায়।
রাউটারের
ক্ষমতার কাছাকাছি ইন্টারনেট ব্যবহার করুন: রাউটারের ওয়াইফাই
সেবা দেয়ার নির্দিষ্ট একটি
পরিধি থাকে। এছাড়াও রাউটার
থেকে যত দূরে যাওয়া
হবে তত রাউটারের গতি
কমবে। রাউটার থেকে ওয়াইফাই
সিগন্যাল ৩৬০ ডিগ্রি পরিধিতে
ছড়িয়ে পড়ে। বাড়ির মধ্যস্থলে
রাউটার বসালে চারিদিকে ভালো
গতি পাওয়া যাবে। এছাড়া
রাউটারের গতি বাড়ানোর জন্য
এক্সটেন্ডার বা রিপিটার ব্যবহার
করা যেতে পারে।
মাইক্রোওয়েভ
ওভেন ওয়াইফাইয়ের গতি রোধ করে
: ওভেন ওয়াইফাইয়ের গতির ওপর প্রভাব
ফেলে। মাইক্রোওয়েভ ওভেন ফ্রিকোয়েন্সি ওয়াইফাই
ফ্রিকোয়েন্সিকে অনেক সময় ওভারল্যাপ
করে। ফলে রাউটারের গতি
কমে যায়। তাই ওভেন
থেকে রাউটার দূরে রাখা
উত্তম।
দিতে
হবে জটিল পাসওয়ার্ড : ওপেন
নেটওয়ার্ক ব্যবহার করার ফলে যদি
ব্যবহারকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পায়
তাহলে রাউটারের গতি কমে যায়।
তাই জটিল পাসওয়ার্ড দিয়ে
ওয়াইফাই ব্যবহার করতে হবে। তাহলে
স্পিড পাওয়া যাবে মন
মতো।
বড়
ফাইল ডাউনলোডে সতর্কতা : পিসিতে বা ল্যাপটপে
বড় ফাইল ডাউনলোডের সময়
ওয়াইফাইয়ের গতি কমে যায়।
বড় ফাইল ডাউনলোডের সময়
অন্যান্য ডিভাইসগুলো গতি পায় না।
তাই যখন ব্যবহারকারীর সংখ্যা
কম থাকে, তখন বড়
ফাইল ডাউনলোড করা উত্তম।
রাউটারের
আসে পাশে কমাতে হবে
মানুষের উপস্থিতি: মানুষের শরীর রেডিও তরঙ্গের
গতি রোধ করে। রাউটারের
আসে পাশে বেশি মানুষ
থাকলে রাউটারের গতি বাধাগ্রস্ত হয়।
তাই রাউটারকে নির্বিঘ্নে ওয়াইফাই সেবা দেয়ার জন্য রাউটারকে ঘিরে মানুষ না
থাকাই উত্তম।

Comments